সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo বর্ষার বৃষ্টির পানি থইথই চারদিকে, Logo বৈশাখ মাসের ধানের নতুন গন্ধ Logo ফোঁটা জল প্রায় 90 দিন লাগে। Logo ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের পাশাপাশি আজ সুন্দরবন দিবস Logo রংপুরে স্নেহা জেনারেল হাসপাতালে দোয়া মাহফিল ও শুভ উদ্বোধন।  Logo নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এর ছেলের নামে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ দাউদ হোসেন এর উদ্যোগে গণ টিকা উদ্বোধন  Logo সীমান্ত এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন লাভলী Logo ভোরের চেতনা পত্রিকার সম্পাদক আগমন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা প্রতিনিধি মিরাজুল শেখ Logo বাগেরহাটে সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণ,ধর্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বিদ্যালয়ের সরকারি জায়গা দখল করে ক্লাবঘর নির্মাণের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ব / ২৩০ বার পঠিত
আপডেট : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১, ৫:২৩ অপরাহ্ণ

আল-আমিন, (মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি):

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মহিষালোহা জব্বারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও মহিষালোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যবর্তী স্থানের সরকারি জায়গায় ক্লাবঘর নির্মাণের নামে ওই জায়গা দখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ক্লাবঘর নির্মাণের জায়গা বের করতে রাস্তার পাশের লক্ষাধিক টাকার সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করে সে টাকা আত্মসা‍ৎ করছে স্থানীয় ‍একটি মহল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়ের উভয় প্রধান শিক্ষকের সম্মতিতেই এসব গাছ কাটা হয়েছে। সরকারি ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় ক্লাবঘরের নামে নির্মাণ করা হচ্ছে পাকা ভবন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ, এলজিইডি ও বন বিভাগের অগোচরে এমন সব ঘটনা ঘটেছে।

সরেজমিন জানা গেছে, উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের মহিষালোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ পুরাতন ভবন সরকারি বিধি মেনে ভেঙে ফেলা হয় কয়েক মাস আগে। ওই ঘরের পাশে এলজিইডি রাস্তায় মেহগনিসহ অন্তত ১০টি গাছ ছিল। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই গোপনে ওই গাছগুলো কেটে বিক্রি করে একটি মহল। এরপর খালি পড়ে থাকা ওই জমিতে স্থানীয় মহিষালোহা আইপিএম কৃষক ক্লাবের সভাপতি সাহাবুদ্দিন ও তার সহযোগীরা ক্লাবঘরটি নির্মান করেন। তবে ক্লাবের সভাপতি সাহাবুদ্দিন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

মহিষালোহা জাব্বারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিন উদ্দিন বলেন, উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দক্ষিণ পাশে ১৬২ দাগে ১৫ শতাংশ জমিতে টিনের নতুন ঘর তুলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেটা ব্যবহার করছে। ওই জমির বদলে অপসারণ করা পুরাতন ভবনের জমিটুকু উচ্চ বিদ্যালয়কে মৌখিকভাবে দেয় প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। এরই মাঝে এলাকার তরুণ সমাজ অসদুদ্দেশ্যে জমি দখলের পাঁয়তারা করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই জমিতে পাকা ক্লাবঘর নির্মাণ শুরু করেছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান জানান, হাই স্কুলের জমিতে আমাদের টিনের ঘর রয়েছে। দুই স্কুলের সুবিধার্থে ভেঙে ফেলা পুরাতন ভবনের জমি উচ্চ বিদ্যালয়কে মৌখিকভাবে দেয়া হয়েছে। তবে সেখানে কে বা কারা ক্লাবঘর নির্মাণের নামে নতুন করে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন তা আমার জানা নেই।

সরকারি গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের সুবিধার্থে কর্তৃপক্ষ পূর্ব পাশের কিছু গাছ অপসারণের অনুমতি দিয়েছে। তবে এলজিইডিই সড়কসংলগ্ন পশ্চিম পাশে কোনো গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে কি-না সেটা আমার জানা নেই।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জায়গায় কোনো ক্লাব অথবা কোনো সংগঠনের কার্যালয় র্নিমাণের বিধান নেই। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটবে। ক্লাব নির্মাণের কাজ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD